জ্বরঠোসা কেন হয় ?এর করনীয় কি?

0

জ্বরঠোসা কেন হয় ? জ্বর ঠোসা হলে হেলাফেলা না করে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। জ্বর ঠোসা দ্রুত সারাতে ও ব্যথা কমিয়ে আনতে যে ওষুধ ও ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করতে পারেন।

আমাদের অনেকের জ্বরঠোসা হয়। জ্বরঠোসা কেন হয়? করণীয় কি কি এ বিষয়ে আমাদের হয়তো অনেকের প্রতিকার করারসঠিক ধারনা থাকে না।

জ্বরঠোসা ভাইরাসের কারণে প্রতিবছর অনেক মানুষ অন্ধ হয়ে যায় এবং দৃষ্টিশক্তি হারায় এটা যৌনাঙ্গের ছড়িয়ে হারপিস নামে রোগ শরীরে ছড়িয়ে পড়ে ।যেটা একবার হলে সারা জীবন থেকে যায়। আবার বয়স বেশি হওয়ার কারণে স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলে যেটা Alzheimer’s রোগসেই লোকের সাথে এই ভাইরাসের সম্পর্ক পাওয়া গেছে। জ্বরঠোসা যে এত বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে। এ বিষয়ে আমরা জানিনা বলে আমরা হেলা-ফেলা করি।

জ্বর ঠোসা কেন হয়?

জ্বর ঠোসা একটি ছোঁয়াচে রোগ। এটি ‘হার্পিস সিমপ্লেক্স’ নামের একটি ভাইরাসের কারণে হয়। এই ভাইরাস শরীরে বিভিন্নভাবে প্রবেশ করতে পারে। যেমন—

ভাইরাস জেগে ওঠার অন্যতম কারণ হলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়া। যেমন: ঠাণ্ডা লাগা অথবা জ্বর আসা। তবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়া ছাড়াও আরও কিছু কারণে ভাইরাস জেগে উঠে জ্বর ঠোসা তৈরি হতে পারে। যেমন: কোনো কারণে অসুস্থ হলে, খুব ক্লান্ত থাকলে, মানসিক চাপে থাকলে, রোদে গেলে ও মেয়েদের মাসিকের সময়ে।

কীভাবে বুঝবেন জ্বর ঠোসা হয়েছে কি না?

জ্বরঠোসা কেন হয় ? মুখমণ্ডলের যেকোনো স্থানেই জ্বর ঠোসা উঠতে পারে। যেখানে জ্বর ঠোসা উঠবে, সেখানে সাধারণত জ্বর ঠোসা হওয়ার আগেই জ্বালাপোড়া, ঝিম ঝিম করা অথবা চুলকানি শুরু হয়। পরবর্তী ৬–৪৮ ঘণ্টায়—

জ্বরঠোসা কেন হয় ?এর করনীয় কি?

ছোটো ছোটো ফোস্কা বা ঠোসা ওঠে। এগুলোর ভেতরে পানির মতো তরল থাকে।ছোটো ছোটো জ্বর ঠোসা

দিনের মধ্যে জ্বর ঠোসা সেরে উঠতে শুরু করে। সেরে ওঠার আগ পর্যন্ত এটি ছোঁয়াচে থাকে। এই সময়ে ব্যথা অথবা জ্বালাপোড়া হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ-

বাংলাদেশ পুলিশ সার্জেন্ট নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২

এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল ২০২২। (সকল বোর্ড মার্কশীট সহ রেজাল্ট)

কিভাবে জ্বরঠোসা থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন

  1. জ্বরঠোসা হলে সেখানে হাত লাগাবেন না
  2. জ্বরঠোসা যদি হাতে লেগে যায় তাহলে হাত খুব ভালোভাবে সাবান দিয়ে পরিষ্কার করে ফেলবে
  3. জ্বরঠোসার থাকা অবস্থায় খুব খেয়াল রাখবেন যাতে চোখে হাত না যায়
  4. যদি কোনো কারনে চোখে হাত লেগে যায় তাহলে ভালোভাবে হাত সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিবেন।

এটা নিয়ে খুব ভয় পাবেন না এই ভাইরাস চোখে চলে যাওয়া মানাইছে অন্ধ হয়ে যাবেন ব্যাপারটা তা না। অনেকের ক্ষেত্রে এটা সেরে যায়।

জ্বরঠোসা হলে কিভাবে আপন মানুষদের সুরক্ষা দিবেন

জ্বরঠোসা কেন হয় ? তখন আপনার খাবার পানি আপনার ব্যবহৃত জিনিস আপনার আপন মানুষদের সাথে শেয়ার করবেন না। জ্বরঠোসা লাগে এমন জিনিস পত্র যেমন- চামচ তোয়ালে লিবিস্টিক জেল এগুলো আলাদা রাখবেন যাতে অন্য কেউ ব্যবহার না করে।

জ্বরঠোসা কখন ছোঁয়াচে

চামড়া ওঠার আগে এটা ছোঁয়াচে হয় চট্টা উঠার আগেই কিন্তু বোঝা যায় হালকা হালকা ঠোঁটে ব্যথা করে এই অনুভূতিটা যখন থেকে হয় তখন থেকে জ্বর ঠোসা ভাইরাসটা ছোঁয়াচে বলে গণ্য হয়। তাই যখন এটা বুঝতে পারবেন। সেখান থেকে একদম জ্বরঠোসা সেড়ে যাওয়া পর্যন্ত সবগুলো সাবধানতা মেনে চলুন।

জ্বর ঠোসার ঔষধ

১. জ্বর ঠোসার ক্রিম বা মলম: জ্বর ঠোসার চিকিৎসায় অ্যান্টিভাইরাল ক্রিম (যেমন: এসাইক্লোভির) ব্যবহার করতে পারেন। এগুলো জ্বর ঠোসা দ্রুত সারিয়ে তুলতে সাহায্য করতে পারে। অন্তত ৪ দিন ব্যবহার করবেন। সাধারণত দিনে ৫ বার ব্যবহার করতে হয়। ব্যবহারের আগে ঔষধের সাথে থাকা নির্দেশিকা ভালোমতো পড়ে সেই অনুযায়ী ব্যবহার করবেন। ফার্মেসিতে এই ক্রিম যেসব নামে পাওয়া যায়—

ব্র্যান্ড নাম কোম্পানি
ভাইরাক্স স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড
ভাইরক্সি এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড
অ্যাসেরাক্স অপসনিন ফার্মা লিমিটেড
নোভাইরাক্স ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড
সিমপ্লোভির ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড
ভাইরুনিল  গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.